টাক ফোঁড় অস্থায়ীভাবে করা হয়।
পোশাকে নকশা আঁকা ও নকশার বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় দাগ বা মাপের চিহ্ন দেওয়ার জন্য দাগ দেওয়ার সরঞ্জামের প্রয়োজন। যেমন: পেন্সিল, টেইলারিং চক, কার্বন পেপার, বিভিন্ন রঙের সুতা ইত্যাদি।
রান ফোঁড় ব্যবহার করলে নাবিলার বানানো জামার সেলাই মজবুত হতো।
সুচ, সুতা দিয়ে কাপড়ে বিভিন্ন ধরনের ফোঁড় সৃষ্টি করা যায়। সুচি শিল্পের মধ্যে সবচেয়ে সহজ ফোঁড় হলো রান ফোঁড়। এই ফোঁড়ের সাহায্যে সাধারণ পোশাক তৈরি করা ছাড়াও নকশি কাঁথা, কুশন কভার, সোফা ব্যাক ইত্যাদিতে নকশা তৈরি করা যায়। এ সুতাসহ সুচ কাপড়ের নকশার মধ্যে ঢুকিয়ে কয়েক বার উপর নিচে করে ছোট ছোট ফোঁড় দিয়ে বের করে এনে রান ফোঁড় সম্পন্ন করা হয়। এ ফোঁড়গুলো সর্বত্র প্রায় সমান আকৃতির হতে হয়।
সঠিক পদ্ধতিতে কাজ করার ফলে নাবিলার তৈরি নকশার কাজ সুন্দর হয়েছে, উক্তিটি সঠিক।
সাধারণত সুচ, সুতা দিয়ে অতি সাধারণ একটি কাপড়কে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করা যায়। নাবিলা বাজার থেকে কাপড় কিনে একটি জামা তৈরি করেছে। সে জামাটিতে ফোঁড়ের মাধ্যমে সুতা দিয়ে নকশা করেছে। নাবিলা কাপড়ে নকশা করার সময় সঠিক স্থানে সঠিক রঙের সুতা ব্যবহার করেছে। কাপড় যেন কুঁচকে না যায় সেদিকে লক্ষ রেখে সুতার টান ঠিক রেখেছে। এছাড়া নাবিলা নকশা অনুসারে ফোঁড়ের সঠিক প্রয়োগ করেছে। এভাবে সঠিক পদ্ধতিতে কাজ করায় নাবিলার জামার নকশাটি খুব চমৎকার হয়ে ফুটেছে।
Related Question
View Allপোশাকের প্রান্তধার কাটা পিংকিং শিয়ারের (Pinking Shears) কাজ।
পোশাকের নকশা আঁকা ও বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় দাগ বা মাপের চিহ্ন দেওয়ার জন্য যেসব সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে দাগ দেওয়ার সরঞ্জাম বলে। যেমন-পেন্সিল, টেইলারিং চক, কার্বন পেপার ইত্যাদি।
সেলাই কাজের জন্য রুমার মেশিন নির্বাচন সঠিক হয়নি। কারণ পোশাক সেলাইয়ের কাজ করেই রুমাকে সংসার চালাতে হয়। কিন্তু সে এ কাজে হাত মেশিন ব্যবহার করে। এ. মেশিনে বাম হাত দিয়ে কাপড় ধরে ডান হাত দিয়ে হাতল ঘোরাতে হয়। ফলে কাপড়ের মাপ অনেক সময় ঠিক হয় না। যদি সে পা মেশিন নির্বাচন করত তবে দুই হাতের সাহায্যে কাপড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। এছাড়া পোশাকের কলার, কাফ, পকেট, প্লিট, বোতাম ঘর ইত্যাদির ফিনিশিং ভালো করার জন্য দুই হাতের প্রয়োজন হয়। উৎপাদন ক্ষমতা কম হওয়ায় হাত মেশিন ব্যবহার করলে দ্রুত ক্রেতাদের পোশাক তৈরি করে দেওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। এছাড়া বেশি অর্ডার নেওয়াও সম্ভব হয় না। যেহেতু রুমা এ কাজ করেই সংসার চালান তাই তার মেশিনের উৎপাদন ক্ষমতা বেশি হওয়া উচিত।
রুমা সেলাইয়ের জন্য হাত মেশিন ব্যবহার করে যার উৎপাদন ক্ষমতা কম। আবার সেলাইয়ের জন্য সে শুধু কাঁচি ও গজ ফিতা ব্যবহার করে। কিন্তু এ কাজে তার আরো সরঞ্জাম প্রয়োজন। যেমন- কাপড় কাটার জন্য বডকিন, ছোট-বড় বিভিন্ন কাঁচি, দাগ দেওয়ার জন্য চক, কার্বন পেপার, রাবার ইত্যাদি। এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করলে রুমার কাজের মান ভালো হতো। এছাড়া তার তৈরি পোশাকের কলার, কাফ, বোতাম ইত্যাদির ফিনিশিং সুন্দর হতো। এটি করলে বুটিক শপের দোকানিরা তার কাপড় ফেরত দিত না। এছাড়া পা মেশিনের সাহায্যে সে দ্রুত কাপড় সেলাই করতে পারত। এর ফলে সে আরও বেশি অর্ডার পেত। তাই বলা যায়, উপযুক্ত সরঞ্জামের অভাবেই রুমা লাভবান হতে পারছে না।
সেলাই খোলার কাজে ব্রডর্কিন (Bodkin) ব্যবহার করা হয়।
পরিধানকারীর পরিধানকারীর দেহের মাপ নেওয়া বলতে বোঝায় পোশাকের নকশাটি কীরূপ হবে সেজন্য ফিতার মাধ্যমে তার উচ্চতা, হাত, গলা, কাঁধ, কোমর ইত্যাদি অংশের মাপ নেওয়া।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!